আমার কাগজ ডেস্ক
গত (সোমবার) চীনা কমিউনিস্ট পার্টির (সিপিসি) কেন্দ্রীয় কমিটির পলিট ব্যুরোর সদস্য ও পররাষ্ট্রমন্ত্রী ওয়াং ই মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রী মার্কো রুবিওর সঙ্গে ফোনে আলোচনা করেন।
ওয়াং ই বলেন, চীন-মার্কিন সম্পর্ক বিশ্বের গতিপথকে গভীরভাবে প্রভাবিত করে। একটি স্বাস্থ্যকর, স্থিতিশীল ও টেকসই দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ক দুই দেশের দীর্ঘমেয়াদি স্বার্থের অনুকূল এবং আন্তর্জাতিক সমাজেরও প্রত্যাশা। প্রেসিডেন্ট সি চিন পিং ও প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প উভয়েই বিশ্বের নেতা; তাদের দীর্ঘদিনের যোগাযোগ ও পারস্পরিক শ্রদ্ধাবোধ ইতোমধ্যে চীন-মার্কিন সম্পর্কের সবচেয়ে মূল্যবান কৌশলগত সম্পদে পরিণত হয়েছে। সাম্প্রতিক সময়ে চীন-মার্কিন অর্থনৈতিক ও বাণিজ্যিক সম্পর্কে কিছু বাধা দেখা দিয়েছে।
কুয়ালালামপুরে অনুষ্ঠিত অর্থনৈতিক- বাণিজ্যিক আলোচনার মাধ্যমে উভয়পক্ষ নিজেদের অবস্থান পরিষ্কার করেছে, বোঝাপড়া বাড়িয়েছে এবং সমতা ও পারস্পরিক স্বার্থের ভিত্তিতে জরুরি বাণিজ্যিক সমস্যাগুলোর সমাধানে একটি কাঠামোগত ঐকমত্যে পৌঁছেছে। এটি আবারও প্রমাণ করে যে, যতক্ষণ উভয় পক্ষ নেতাদের গুরুত্বপূর্ণ ঐকমত্য সম্পূর্ণভাবে বাস্তবায়ন করে, সমতা, শ্রদ্ধা ও পারস্পরিক লাভের নীতি অনুসরণ করে এবং সংলাপের মাধ্যমে মতপার্থক্য নিরসন করে, চাপ প্রয়োগের কৌশল পরিহার করে, ততক্ষণ দুই দেশের সম্পর্ক স্থিতিশীল হয়ে এগিয়ে যেতে পারে। তিনি আশা প্রকাশ করেন, দুই দেশ সমন্বয় করে এগিয়ে যাবে, চীন-মার্কিন উচ্চপর্যায়ের যোগাযোগের জন্য প্রস্তুতি নেবে এবং দুই দেশের সম্পর্কের উন্নয়নের জন্য অনুকূল পরিবেশ সৃষ্টি করবে।
রুবিও বলেন, যুক্তরাষ্ট্র ও চীনের সম্পর্ক বিশ্বের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ক, এবং তিনি আশা প্রকাশ করেন যে, উচ্চপর্যায়ের যোগাযোগের মাধ্যমে উভয় দেশ বিশ্বে ইতিবাচক বার্তা পৌঁছে দেবে।
সূত্র:শিশির-তৌহিদ-শুয়েই,চায়না মিডিয়া গ্রুপ।
