আমার কাগজ ডেস্ক
কিয়ের স্টারমারের পদত্যাগের ঘোষণার পর এখন ব্রিটিশ রাজনীতিতে মূল আলোচনা কে হচ্ছেন নতুন ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রী। স্টারমার ঘোষণা করেছেন, তাঁর উত্তরসূরি নির্বাচনের জন্য আগামী দুই সপ্তাহের মধ্যে মনোনয়ন প্রক্রিয়া শুরু হবে। বিবিসির এক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, সব হিসাব-নিকাশ যদি মিলে যায়, তবে খুব শীঘ্রই অ্যান্ডি বার্নহ্যাম ব্রিটেনের নতুন প্রধানমন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব নিতে পারেন।
লেবার পার্টির বেশ কয়েকজন এমপি জানিয়েছেন, এবারের নেতৃত্ব নির্বাচনে বড় কোনো প্রতিদ্বন্দ্বিতা হবে না। এই দৌড়ে সবচেয়ে এগিয়ে আছেন অ্যান্ডি বার্নহ্যাম।
রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, বার্নহ্যামের যে শক্ত অবস্থান, তাতে তাঁর বিরুদ্ধে অন্য কোনো প্রার্থীর প্রতিদ্বন্দ্বিতার সম্ভাবনা খুবই কম।
অবশ্য লেবার পার্টির আরেক নেতা ওয়েস স্ট্রিটিং আগেই ঘোষণা করেছিলেন, তিনি নির্বাচনে লড়বেন। তবে রাজনৈতিক সমীকরণে দ্রুত বদল আসছে। স্ট্রিটিংয়ের ঘনিষ্ঠ কয়েকজন জানিয়েছেন, তিনি হয়তো শেষ পর্যন্ত লড়াইয়ে নাও থাকতে পারেন। গুঞ্জন আছে, নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বিতার বদলে বার্নহ্যাম তাঁকে নতুন সরকারে কোনো বড় পদের প্রস্তাব দিতে পারেন।
ব্রিটেনের নতুন প্রধানমন্ত্রী কবে নিশ্চিত হবে?
কিয়ের স্টারমার জানিয়েছেন, তিনি লেবার পার্টির ন্যাশনাল এক্সিকিউটিভ কমিটির কাছে অনুরোধ করবেন যাতে আগামী ৯ জুলাই দলের নতুন নেতা নির্বাচনের জন্য মনোনয়ন প্রক্রিয়া শুরু করা হয়। পুরো প্রক্রিয়াটি ১৬ জুলাইয়ের মধ্যে শেষ হবে।
পরবর্তী লেবার নেতা কে হবেন তা নিয়ে শেষ পর্যন্ত প্রতিদ্বন্দ্বিতা হবে কি না, তা এখনো স্পষ্ট নয়।
আগামী ৯ জুলাই যখন বাছাই শুরু হবে, তখন যদি অ্যান্ডি বার্নহ্যাম একমাত্র প্রার্থী হিসেবে কোনো প্রতিদ্বন্দ্বিতা ছাড়াই দাঁড়িয়ে যান, তবে ১৬ জুলাই মনোনয়ন প্রক্রিয়া শেষ হওয়ার পরপরই তিনি লেবার পার্টির নেতা এবং সেই সূত্রে ব্রিটেনের নতুন প্রধানমন্ত্রী হয়ে যেতে পারেন। আর যতক্ষণ না এই বিষয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত হচ্ছে, ততক্ষণ পর্যন্ত স্টারমারই প্রধানমন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব পালন করে যাবেন।
