কুষ্টিয়া সংবাদদাতা
কুষ্টিয়ার মিরপুরে বাসের চাপায় ইঞ্জিনচালিত পাখিভ্যানের চালক ও এক নারী যাত্রী নিহত হয়েছেন। এ ঘটনায় আরও এক নারী গুরুতর আহত হয়েছেন।
বৃহস্পতিবার সকালে উপজেলার সদরপুর ইউনিয়নের আমতলা মাদরাসার সামনে কুষ্টিয়া-মেহেরপুর আঞ্চলিক সড়কে এ দুর্ঘটনা ঘটে।
নিহতরা হলেন- মিরপুর উপজেলার নওদা আজমপুর গ্রামের আব্দুল সাত্তারের ছেলে পাখিভ্যানচালক কামরুল ইসলাম এবং কুষ্টিয়া সদর উপজেলার ভাদালিয়া এলাকার স্বস্তিপুর গ্রামের হাসেম আলীর স্ত্রী ভানুমতি (৫৫)। আহত হয়েছেন ভানুমতির মেয়ে হাসিনা।
প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, সকালে কয়েকজন যাত্রী নিয়ে একটি পাখিভ্যান কুষ্টিয়া-মেহেরপুর আঞ্চলিক সড়ক দিয়ে যাচ্ছিল। পথে ভ্যানটির এক্সেল ভেঙে সেটি সড়কের ওপর পড়ে যায়। এ সময় পেছন থেকে মেহেরপুরগামী বাস ভ্যানটিকে সজোরে ধাক্কা দেয়। এতে পাখিভ্যানটি দুমড়ে-মুচড়ে যায়। ঘটনাস্থলেই ভানুমতি নিহত হন।
দুর্ঘটনায় ভ্যানচালক কামরুল ইসলাম ও ভানুমতির মেয়ে হাসিনা গুরুতর আহত হন। খবর পেয়ে আমলা পুলিশ ক্যাম্প ও ফায়ার সার্ভিসের সদস্যরা ঘটনাস্থলে গিয়ে ভানুমতির মরদেহ উদ্ধার করেন। পরে আহতদের মিরপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নেওয়া হয়।
সেখানে অবস্থার অবনতি হলে কামরুল ইসলাম ও হাসিনাকে কুষ্টিয়া ২৫০ শয্যাবিশিষ্ট জেনারেল হাসপাতালে পাঠানো হয়। হাসপাতালে আইসিইউতে নেওয়ার কিছুক্ষণ পর কামরুল ইসলাম মারা যান বলে নিশ্চিত করেন হাসপাতালের আবাসিক মেডিকেল কর্মকর্তা (আরএমও) ডা. ইকবাল হোসেন।
মিরপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. শহিদুল ইসলাম বিষয়টি নিশ্চিত করে বলেন, আইনি ব্যবস্থা গ্রহণের প্রক্রিয়া চলছে। দুর্ঘটনার কারণ তদন্ত করে দেখা হচ্ছে।
