আমার কাগজ ডেস্ক
জীবনের সুখ-দুঃখ, হাসি-কান্না আর অসংখ্য স্মৃতির সাক্ষী বন্ধু। আর এই সুন্দর সম্পর্কটা উদযাপন করতেই প্রতি বছর পালিত হয় ফ্রেন্ডশিপ ডে বা বন্ধু দিবস। বাংলাদেশ আর ভারতসহ এশিয়ার অনেক দেশে বহু বছর আগে থেকেই আগস্টের প্রথম রোববার বন্ধুত্ব দিবস হিসেবে উদযাপন করেন। চলতি বছর এই দিনটি পড়েছে ২ আগস্ট। বিশেষ দিনে অনেকেই প্রিয় বন্ধুর সঙ্গে দেখা করেন। তবে কাজের চাপে অনেক সময় বিশেষ দিনেও প্রিয় মুখটার সঙ্গে দেখা হয় না অনেকেই। তাই প্রিয় বন্ধুদের বিশেষ বার্তা দেন অনেকেই।
বন্ধু দিবসের ধারণাটি প্রথম আসে ১৯৩০ সালে। হলমার্ক কার্ডসের প্রতিষ্ঠাতা জয়েস হল বন্ধুদের প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশের জন্য একটি বিশেষ দিন পালনের প্রস্তাব দেন। পরে ১৯৫৮ সালে, প্যারাগুয়ের চিকিৎসক ড. রামোন আর্তেমিও ব্রাচো ‘ওয়ার্ল্ড ফ্রেন্ডশিপ ক্রুসেড’–এর ধারণা দেন। তার লক্ষ্য ছিল বন্ধুত্বের মাধ্যমে বিশ্বে শান্তি ও পারস্পরিক সম্প্রীতি গড়ে তোলা।
এরই ধারাবাহিকতায় ২০১১ সালে জাতিসংঘ ৩০ জুলাইকে আন্তর্জাতিক বন্ধুত্ব দিবস হিসেবে স্বীকৃতি দেয়। তবে ভারত, যুক্তরাষ্ট্র এবং এশিয়ার কয়েকটি দেশে এখনও আগস্টের প্রথম রোববার বন্ধু দিবস উদযাপনের প্রচলন রয়েছে।
বন্ধুত্ব দিবসের শুভেচ্ছা
ব্যস্ত জীবনের একটু সময় নিয়ে প্রিয় বন্ধুদের শুভেচ্ছা দেয় অনেকেই বিশেষ এই দিনে। তবে অনেকেই বুঝতে পারেন না কী লিখবেন। তাদের জন্য রইলো কিছু সুন্দর শুভেচ্ছা বার্তা। এগুলো হলো-
হ্যাপি ফ্রেন্ডশিপ ডে। তোমার মতো একজন বন্ধু জীবনের প্রতিটি মুহূর্তকে আরও সুন্দর করে তোলে। সবসময় ভালো থেকো।
প্রকৃত বন্ধু জীবনের সবচেয়ে বড় আশীর্বাদ। তোমার জীবন ভরে উঠুক ভালোবাসা, হাসি আর সুন্দর স্মৃতিতে। হ্যাপি ফ্রেন্ডশিপ ডে।
বন্ধু হলো সেই পরিবার, যাকে আমরা নিজেরাই বেছে নিই। সবসময় পাশে থাকার জন্য ধন্যবাদ। শুভ বন্ধু দিবস।
সময় কিংবা দূরত্ব কখনো সত্যিকারের বন্ধুত্বকে মুছে দিতে পারে না। তোমাকে জানাই বন্ধু দিবসের আন্তরিক শুভেচ্ছা।
তোমার মতো বন্ধু থাকলে জীবনের কঠিন পথও সহজ হয়ে যায়। হ্যাপি ফ্রেন্ডশিপ ডে।
কাছে থাকুন বা দূরে বন্ধুরা সবসময় হৃদয়েই থাকে। তাই বিশেষ দিনের শুরুতেই প্রিয় বন্ধুদের বার্তা দিন। আপনার ছোট একতা কথাও বন্ধুত্বে নতুন মাত্রা যোগ করতে পারে।
