• বৃহস্পতিবার, ৩০ জুন ২০২২, ১১:১৮ অপরাহ্ন

সিসিইউ থেকে কেবিনে খালেদা জিয়া

আমার কাগজ ডেস্ক: / ১২ শেয়ার
প্রকাশিত : বুধবার, ১৫ জুন, ২০২২

বিএনপি চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়াকে এভারকেয়ার হাসপাতালের করোনারি কেয়ার ইউনিট (সিসিইউ) থেকে কেবিনে নেওয়া হয়েছে।

বুধবার দুপুর ১টা ১০ মিনিটে তাকে কেবিনে নেওয়া হয় বলে জানিয়েছেন বিএনপি চেয়ারপারসনের প্রেস উইংয়ের সদস্য শায়রুল কবির খান। তিনি বলেন, ‘বিএনপি চেয়ারপারসন এতদিন সিসিইউতে চিকিৎসকদের পর্যবেক্ষণে ছিলেন। দুপুর ১টা ১০ মিনিটে তাকে কেবিনে স্থানান্তর করা হয়।’

এর আগে মঙ্গলবার বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকদের মেডিকেল বোর্ডের সভার পর খালেদা জিয়ার ব্যক্তিগত চিকিৎসক ডা. এ জে এম জাহিদ হোসেন বলেন, ‘বিএনপি চেয়ারপারসনের নিবিড় পর্যবেক্ষণের ৭২ ঘণ্টা পার হয়েছে। তবে আরও কিছুদিন তাকে পর্যবেক্ষণে রাখার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।’

বিশেষজ্ঞ চিকিৎসক অধ্যাপক শাহাবুদ্দিন তালুকদারের সভাপতিত্বে ১৯ সদস্যের মেডিকেল বোর্ড গঠন করা হয়েছে খালেদা জিয়ার চিকিৎসায়।

সূত্র জানায়, এভারকেয়ার হাসপাতালের ৪র্থ তলার সিসিইউর কেবিন নম্বর ৪২১৯ থেকে ৭তম তলার কেবিন নম্বর ৭২০৪-তে খালেদা জিয়াকে স্থানান্তর করা হয়েছে।

গত শনিবার খালেদা জিয়ার এনজিওগ্রাম করা হয়েছে। হার্টে ব্লক থাকায় একটি রিংও পরানো হয় তাকে। ওইদিন দুপুরে বিএনপি চেয়ারপারসনের শারীরিক অবস্থা পর্যবেক্ষণের পর মেডিকেল বোর্ডের সিদ্ধান্তে এনজিওগ্রাম করা হয়।

শুক্রবার রাতে হঠাৎ ৭৬ বছর বয়সী খালেদা জিয়ার হৃদযন্ত্রে সমস্যা দেখা দিলে তাকে রাজধানীর এভারকেয়ার হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। খবর পেয়ে বিএনপি মহাসচিবসহ দলের নেতাকর্মীরা রাতেই হাসপাতালে ভিড় করেন।

দলীয় সূত্রে জানা গেছে, খালেদা জিয়ার ব্যক্তিগত চিকিৎসক অধ্যাপক ডা. এ জেড এম জাহিদ হোসেন সার্বক্ষণিক তার খোঁজখবর রাখছেন। অন্যদিকে লন্ডন থেকে তার বড় ছেলে তারেক রহমান ও স্ত্রী ডা. জোবায়দা রহমানও সার্বক্ষণিক যোগাযোগ রাখছেন।

দুর্নীতির মামলায় দণ্ডিত হয়ে ২০১৮ সালের ৮ ফেব্রুয়ারি খালেদা জিয়াকে কারাগারে পাঠানো হয়। দেশে করোনাভাইরাসের সংক্রমণ শুরু হওয়ার পর ২০২০ সালের ২৫ মার্চ সরকারের নির্বাহী আদেশে শর্ত সাপেক্ষে সাজা স্থগিত করে সাময়িকভাবে মুক্তি দেওয়া হয় খালেদা জিয়াকে। এর পর থেকে গুলশানের বাসায় থাকছেন তিনি।

২০২১ সালে এভারকেয়ার হাসপাতালে ভর্তি করার পর খালেদা জিয়ার পরিপাকতন্ত্রে রক্তক্ষরণ ও লিভার সিরোসিসে আক্রান্ত হওয়ার কথা জানিয়েছিলেন চিকিৎসকেরা। এ ছাড়া খালেদা জিয়া অনেক দিন ধরে আর্থ্রাইটিস, ডায়াবেটিসসহ নানা জটিলতায় ভুগছেন।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এ সম্পর্কিত আরো সংবাদ