আমার কাগজ ডেস্ক
ক্ষমতাচ্যুত প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সময়ে হওয়া ভারতের সঙ্গে ১০১টি চুক্তি পর্যালোচনা করছে সরকার, এ বিষয়ে শিগগিরই সিদ্ধান্ত আসবে বলে জানিয়েছেন সরকার দলীয় চিফ হুইপ নুরুল ইসলাম মনি।
শুক্রবার (১১ সেপ্টেম্বর) জাতীয় সংসদের তৃতীয় অধিবেশন পরবর্তী সাংবাদিক সম্মেলনে তিনি এ কথা বলেন। সংবাদ সম্মেলনে জাতীয় সংসদের হুইপ এম রুহুল কুদ্দুস তালুকদার উপস্থিত ছিলেন।
চিফ হুইপ বলেন, সংসদের তৃতীয় সংক্ষিপ্ত অধিবেশন ছিল। ৯টি কর্মদিবস ছিল। ৬টি বিল পাস হয়েছে। ১৪০টি প্রশ্নের উত্তর দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।
তিনি বলেন, সম্পত্তি হস্তান্তর আইন পাস হয়েছে সংসদে। বিরোধীদল এটার বিরোধীতা করেছে যা অত্যন্ত দুঃখজনক। শরীয়া আইনের দোহায় দিয়ে এই বিলটির বিরোধীতা করেছে বিরোধীদল।
নূরুল ইসলাম বলেন, গুম প্রতিরোধ ও মানবাধিকার আইন পাস নিয়ে ১৬ জন রাষ্ট্রদূতের সঙ্গে কথা বলেছে। বিভিন্ন স্টেক হোল্ডার এবং আইন বিশেষজ্ঞদের সাথে কথা বলেও সরকার এই আইন পাস করেছে। আগের আইনের চেয়ে এই আইন আরও বেশি শক্তিশালী। এটার বিরোধীতা কিছু নেই।
সার নিয়ে চিফ হুইপ বলেন, চাহিদার চেয়েও ১৬ মেট্রিক টন সার বেশি মজুদ আছে দেশে। সারের কোনো সংকট নেই দেশে। দেশের অর্থনীতির স্বার্থেই ব্যাংক রেজুলেশনের ১৮ (ক) ধারা বাতিল করেছে সরকার। সরকার এবং বিরোধীদল ঐক্যবদ্ধভাবে দেশকে এগিয়ে নিতে চায় সরকার। গুরুত্বপূর্ণ মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত স্থায়ী কমিটি গুলোতেই বিরোধী দল থেকে তিনজন সদস্য দেয়া হয়েছে।
জুলাই সনদ নিয়ে বলেন, সংবিধান সংশোধন করেই জুলাই সনদ বাস্তবায়ন করবে সরকার।
তিনি আরও বলেন, ব্রিকস সম্মেলনে সরকার প্রধান হিসেবে প্রধানমন্ত্রীকে দাওয়াত না দেয়ায় তারেক রহমান ভারতে যাচ্ছেন না।
