আমার কাগজ ডেস্ক
প্রশ্নফাঁস কাণ্ডের বিচারের জন্য ফাস্ট ট্র্যাক আদালত গঠন করা হবে। দিল্লির যন্তর মন্তরে ছাত্র-যুবদের ধারাবাহিক বিক্ষোভের মাঝে সিদ্ধান্ত নিল কেন্দ্রীয় সরকার। বৃহস্পতিবার সেই সিদ্ধান্তের কথা ঘোষণা করে দিলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী। এক্স পোস্টে তিনি লেখেন, “প্রশ্নফাঁসের ঘটনায় জড়িতদের বিরুদ্ধে দ্রুত পদক্ষেপ করা হবে। তাঁদের বিরুদ্ধে কঠোর শাস্তি নিশ্চিত করা হবে। সেই লক্ষ্যে আমরা ‘ফাস্ট-ট্র্যাক কোর্ট’ গঠনের সিদ্ধান্ত নিয়েছি। এ বিষয়ে প্রয়োজনীয় সব পদক্ষেপ গ্রহণের জন্য সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ এবং আধিকারিকদের নির্দেশও দেওয়া হয়েছে।”
গত মঙ্গলবার এনডিএ-র সংসদীয় দলের বৈঠকেই প্রশ্নফাঁস বিতর্কে মুখ খুলেছিলেন প্রধানমন্ত্রী। এ ধরনের ঘটনাকে ‘মহাপাপ’ বলে মন্তব্য করেছিলেন তিনি। বলেছিলেন, প্রশ্নফাঁস রোখার দায়িত্ব গোটা দেশের। অভ্যন্তরীণ বৈঠকে মোদীর ওই বার্তার কথা প্রকাশ্যে আনেন কেন্দ্রীয় মন্ত্রী কিরেন রিজিজু। তবে প্রধানমন্ত্রী নিজে কেন প্রকাশ্যে কোনও মন্তব্য করছেন না, তা নিয়ে প্রশ্ন উঠেছিল। এ বার সেই বিতর্কে ইতি টানলেন মোদী।
বৃহস্পতিবার সকালে দেশের তরুণদের পাশে দাঁড়ানোর বার্তা দেন প্রধানমন্ত্রী। মোদী লেখেন, “আমাদের তরুণদের ভাল রাখা এবং তাঁদের সুন্দর ভবিষ্যৎ নিশ্চিত করাই সবচেয়ে বেশি গুরুত্বপূর্ণ। কোনও কিছুই এর চেয়ে বড় নয়।” এর পরেই প্রশ্নফাঁস বিতর্কে ন্যায়বিচারের আশ্বাস দেন মোদী।
একই সঙ্গে প্রধানমন্ত্রীর ঘোষণা, তরুণদের ভবিষ্যৎ নিয়ে যাঁরা ছিনিমিনি খেলার চেষ্টা করবেন, তাঁদের কোনও ভাবেই রেয়াত করা হবে না। মোদী জানান, পড়ুয়াদের স্বার্থের কথা সবসময়ই গুরুত্ব দিয়ে বিবেচনা করে তাঁর সরকার। প্রশ্নফাঁস কাণ্ডে ন্যায়বিচারের জন্য ফাস্ট ট্র্যাক আদালত গঠনও সেই ধারাবাহিক পদক্ষেপেরই অঙ্গ বলে বর্ণনা করেন প্রধানমন্ত্রী।
নিট প্রশ্নফাঁস এবং শিক্ষায় অব্যবস্থার প্রতিবাদে দিল্লির যন্তর মন্তরে ধারাবাহিক বিক্ষোভ চালিয়ে যাচ্ছে ‘ককরোচ জনতা পার্টি’ (সিজেপি)। কাতারে কাতারে ছাত্র-যুব রাস্তায় নেমেছেন এই অরাজনৈতিক ছাত্র সংগঠনের সমর্থনে। তাঁদের অন্যতম দাবি, কেন্দ্রীয় শিক্ষামন্ত্রী ধর্মেন্দ্র প্রধানের ইস্তফা।
