আন্তর্জাতিক ডেস্ক
২২ এপ্রিল (বুধবার), চীন-কম্বোডিয়া পররাষ্ট্রমন্ত্রী ও প্রতিরক্ষামন্ত্রী পর্যায়ের ‘২+২’ কৌশলগত সংলাপ-ব্যবস্থার প্রথম সভা নমপেনে অনুষ্ঠিত হয়। দু’দেশের পররাষ্ট্রমন্ত্রীদ্বয় ও প্রতিরক্ষামন্ত্রীদ্বয় এতে অংশগ্রহণ করেন।
সভায় দু’পক্ষ দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ক, রাজনৈতিক নিরাপত্তা এবং প্রতিরক্ষা ও নিরাপত্তা সহযোগিতা, আন্তর্জাতিক ও আঞ্চলিক পরিস্থিতিসহ অনেক বিষয় নিয়ে গভীরভাবে মতবিনিময় করে এবং ব্যাপক মতৈক্যে পৌঁছায়।
সভায় চীনের পররাষ্ট্রমন্ত্রী ওয়াং ই বলেন, জটিল ও কঠোর বৈশ্বিক পরিবেশের মুখে, চীন ও কম্বোডিয়া কৌশলগত সচেতনতা বজায় রেখেছে; পরস্পরকে সাহায্য ও সমর্থন করে আসছে; পারস্পরিক আস্থা মজবুত করছে; এবং দ্বিপক্ষীয় কৌশলগত দৃঢ়তা জোরদারে কাজ করে যাচ্ছে।
তিনি বলেন, প্রেসিডেন্ট সি চিন পিং গত এপ্রিল মাসে কম্বোডিয়া সফর করেন, দেশটির নেতার সাথে গভীর ও কৌশলগতভাবে মতবিনিময় করেন এবং নতুন যুগে দু’দেশের সার্বক্ষণিক অভিন্ন কল্যাণের সমাজ গড়ার পথে নতুন অধ্যায় শুরু করেন। তখনই দু’দেশের নেতৃবৃন্দ এই মর্মে সিদ্ধান্ত নিয়েছিলেন যে, চীন-কম্বোডিয়া পররাষ্ট্রমন্ত্রী ও প্রতিরক্ষামন্ত্রী পর্যায়ের ‘২+২’ কৌশলগত সংলাপ-ব্যবস্থা প্রতিষ্ঠিত হবে, যা দু’পক্ষের পারস্পরিক কৌশলগত আস্থা জোরদার এবং কৌশলগত সমন্বয় উন্নত করতে নতুন প্রাণশক্তি যোগাবে। উক্ত ব্যবস্থার প্রথম সভার আয়োজনে এটা স্পষ্ট যে, দু’দেশের লৌহকঠিন বন্ধুত্ব এবং কৌশলগত সহযোগিতা জোরদারের ওপর দু’পক্ষই অনেক গুরুত্ব দেয়।
চীনা পররাষ্ট্রমন্ত্রী আরও বলেন, কম্বোডিয়ার উন্নয়ন ও জনগণের জীবনমান উন্নয়নে চীন অব্যাহতবাবে সমর্থন দেবে। কম্বোডিয়ার সীমান্ত অঞ্চলের বাসিন্দাদের পুনর্বাসনের কাজে চীন মানবিক সমর্থন দিয়ে যাবে এবং দারিদ্র্যবিমোচনের সহযোগিতামূলক মডেল প্রকল্প বাস্তবায়নে সমর্থন যুগিয়ে যাবে।
চীনের প্রতিরক্ষামন্ত্রী তং চুন সভায় বলেন, বতর্মানে আন্তর্জাতিক ও আঞ্চলিক নিরাপত্তা পরিস্থিতি জটিল ও পরিবর্তনশীল। চীন কম্বোডিয়ার সাথে একযোগে পারস্পরিক সামরিক নিরাপত্তা আস্থা উন্নত করতে এবং নতুন যুগে দু’দেশের সার্বক্ষণিক অভিন্ন কল্যাণের সমাজ গড়ার জন্য আরও বড় অবদান রাখতে আগ্রহী।
সূত্র: আকাশ-আলিম-শিশির,চায়না মিডিয়া গ্রুপ।
