সাইফুল্লাহ মোঃ খালিদ রাসেল, নারায়ণগঞ্জ
সিদ্ধিরগঞ্জ থানা পুলিশের সফল অভিযানে জানুয়ারি থেকে অক্টোবর মাস পর্যন্ত থানা পুলিশের অভিযানে গত ১০ মাসে ৪৩০ মামলা। এরমধ্যে ১৭১ মামলাই মাদকের।
মাদক মামলায় মাদক উদ্ধার ও আসামি গ্রেপ্তার করা হয়। গত ১০ মাসে ইয়াবা ৫৫৭৫ পিছ, গাঁজা ৪৬ কেজি ৩৭০ গ্রাম, হিরোইন ২১৯.৩৫ গ্রাম, ফেন্সিডিল ৭৯ বোতল ও দেশী মদ ১৫ লিটার উদ্ধার করে সিদ্ধিরগঞ্জ থানা পুলিশ। শুধু মাদকসহ বিভিন্ন অপরাধে গত ১০ মাসে ৪৩০ টি মামলা দায়ের করেন সিদ্ধিরগঞ্জ থানা পুলিশ। প্রত্যেকটি মামলায় আসামিদের গ্রেফতার করে জেল হাজতে প্রেরণ করা হয়।
বিভিন্ন ধরনের অপরাধীদের আইনের আওতায় আনতে সিদ্ধিরগঞ্জ পুলিশ তৎপর রয়েছে বলে জানান সিদ্ধিরগঞ্জ থানার অফিসার ইনচার্জ মোহাম্মদ শাহিনুর আলম।
সিদ্ধিরগঞ্জ থানার ওসি মোহাম্মদ শাহিনুর আলম সাংবাদিকদের সাথে আলাপকালে বলেন, গত ১০ মাসে বিভিন্ন অপরাধে মোট ৪৩০ টি মামলা দায়ের হয়েছে। এর মধ্যে ১৭১ টি মাদক মামলা। প্রত্যেকটি মামলায় আসামি গ্রেফতার হয়েছেন এবং ওয়ারেন্ট এর আসামিও গ্রেফতার করা হয়েছে। গত ২৫ শে জানুয়ারি থেকে ২৫ শে অক্টোবর পর্যন্ত নিয়মিত মামলায় ৬৯৬ জন আসামি গ্রেফতার করা হয়।
বিশেষ করে মাদকের ১৭১ টি মামলায় আসামি গ্রেফতার ও মাদক উদ্ধার হয়েছে। অন্যান্য মামলাগুলি হল, খুন, ডাকাতি, দ্রুত বিচার, অস্ত্র মামলা, দস্যুতা, অপহরণ, চাঁদা দাবি, বৈষম্যবিরোধী হত্যা মামলা, ধর্ষণ, গণধর্ষণ, নারী নির্যাতন, শিশু নির্যাতন, চুরি, সড়ক দুর্ঘটনা।
সিদ্ধিগঞ্জ থানার ওসি শাহীনুর আলম আরও বলেন, আমার থানা পুলিশ পাড়া মহল্লার সাধারণ জনগনের জানমালের নিরাপত্তা দিতে সর্বদাই প্রস্তুত রয়েছে। মাদক সহ বিভিন্ন অপরাধীদের আইনের আওতায় আনতে পুলিশ কাজ করে যাচ্ছে। পুলিশের মনোবল বৃদ্ধি করার জন্য বিভিন্ন কৌশল অবলম্বন করা হচ্ছে। অপরাধী যত বড় প্রভাবশালী হোক না কেন তাদেরকে কোন ধরনের ছাড় দেওয়া হবে না। আমাদের শ্রদ্ধেয় নারায়ণগঞ্জ পুলিশ সুপার মহোদয়ের দিকনির্দেশনায় আমরা নির্বিকভাবে কাজ করে যাচ্ছি। অপরাধ নির্মূলে পুলিশের পাশাপাশি এলাকাবাসীকেও এগিয়ে আসার আহ্বান জানান ওসি শাহিনুর আলম।
এলাকাবাসী জানায়, নিয়মিত পুলিশের টহল থাকায় অপরাধীদের আনাগোনা কমেছে। সিদ্ধিরগঞ্জ থানার অফিসার ইনচার্জ যোগদান করার পর তার পুলিশি তৎপরতার কারণে এলাকার মানুষ নির্বিঘ্নে জীবনযাপন করতে পারছে। আমরা এলাকাবাসী আশা করি সামনের দিনগুলিতে অপরাধ দমনে সিদ্ধিরগঞ্জ থানা পুলিশের ভূমিকা আরও কঠোর হবে।
