আন্তর্জাতিক ডেস্ক
১৮ আগস্ট বিকেলে বেইজিংয়ের গণ-মহাভবনে চীনে রাষ্ট্রীয় সফরে আসা ইকুয়েডরের প্রেসিডেন্ট ড্যানিয়েল নোবোয়া চীনের প্রেসিডেন্ট সি চিন পিংয়ের সঙ্গে এক দ্বিপাক্ষিক বৈঠক করেছেন।
প্রেসিডেন্ট সি চিন পিং উল্লেখ করেন, চলতি বছর চীন ও ইকুয়েডরের মধ্যে সার্বিক কৌশলগত অংশীদারিত্ব প্রতিষ্ঠার ১০ম বার্ষিকী। আন্তর্জাতিক পরিস্থিতির পরিবর্তন যাই হোক না কেন, চীন সবসময় কৌশলগত উচ্চতা ও সুদূরপ্রসারী দৃষ্টিভঙ্গি নিয়ে ইকুয়েডরের সঙ্গে দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ককে মূল্যায়ন করে। চীন দুই দেশের সম্পর্কের নতুন উচ্চতায় পৌঁছানো এবং উভয় দেশের জনগণের কল্যাণে একযোগে কাজ করতে প্রস্তুত।
সি চিন পিং জোর দিয়ে বলেন, দুই দেশের মূল স্বার্থ এবং গুরুত্বপূর্ণ বিষয়গুলোতে একে অপরকে অনুধাবন ও সমর্থন অব্যাহত রাখতে হবে। চীন ইকুয়েডরের নিজস্ব জাতীয় পরিস্থিতির সঙ্গে সঙ্গতিপূর্ণ উন্নয়ন পথ অন্বেষণকে শ্রদ্ধা ও সমর্থন করে।
অবাধ বাণিজ্য চুক্তির সুবিধাকে কাজে লাগিয়ে অবকাঠামো, জ্বালানি, খনিজ সম্পদ ও অর্থায়ন প্রকল্পের পাশাপাশি ডিজিটাল অর্থনীতি, সবুজ উন্নয়ন, নবায়নযোগ্য শক্তি ও কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার মতো নতুন ক্ষেত্রে উভয় দেশের কৌশলগত সমন্বয় বাড়াতে হবে।
স্বাস্থ্যসেবা, দারিদ্র্য বিমোচন, দুর্যোগ মোকাবেলা এবং শিক্ষা, সংস্কৃতি, যুব ও ক্রীড়া ক্ষেত্রে দ্বিপাক্ষিক আদান-প্রদান আরও সহজ করতে চীন বদ্ধপরিকর।
জবাবে ইকুয়েডরের প্রেসিডেন্ট ড্যানিয়েল নোবোয়া বলেন, চীন ইকুয়েডরের অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ অংশীদার ও ঘনিষ্ঠ বন্ধু। দুই দেশের যৌথ প্রচেষ্টায় ইকুয়েডর-চীন সম্পর্ক এক নতুন ধাপে প্রবেশ করেছে। ইকুয়েডর চীনের সাথে রাজনৈতিক পারস্পরিক আস্থা গভীর করতে, চীনের সার্বভৌমত্ব ও আঞ্চলিক অখণ্ডতা বজায় রাখাকে সমর্থন জানাতে এবং এক চীন নীতির প্রতি চীনের অবস্থানকে শ্রদ্ধা জানাতে সংকল্পবদ্ধ। ইকুয়েডর বাণিজ্য, অর্থায়ন, খনিজ সম্পদ, নবায়নযোগ্য শক্তি, প্রযুক্তি ও সংস্কৃতি ক্ষেত্রে চীনের সঙ্গে বাণিজ্য প্রসার এবং চীনা বিনিয়োগকারীদের স্বাগত জানাতে প্রস্তুত।
দ্বিপাক্ষিক আলোচনা শেষে উভয় দেশের শীর্ষনেতা সবুজ শিল্প, অর্থনৈতিক ও বাণিজ্যিক সহযোগিতা, ডিজিটাল অর্থনীতি এবং জনকল্যাণমূলক অবকাঠামো সম্পর্কিত বেশ কয়েকটি সমঝোতা স্মারক ও চুক্তি স্বাক্ষর প্রত্যক্ষ করেন।
সূত্র: শুয়েই-তৌহিদ-জিনিয়া,চায়না মিডিয়া গ্রুপ।
