আমার কাগজ প্রতিবেদক
রাষ্ট্রপতি পদ থেকে মোহাম্মদ সাহাবুদ্দিনের পদত্যাগের গুঞ্জনের মধ্যে থাইল্যান্ড সফর সংক্ষিপ্ত করে দেশে ফিরেছেন জাতীয় সংসদের স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমদ।
শুক্রবার (২৩ জুলাই) থাই এয়ারওয়েজে দুপুর সোয়া ১২টার দিকে ঢাকায় অবতরণ করেন তিনি।
এ সময় রাষ্ট্রপতির পদত্যাগের বিষয়ে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, ‘আমি দেশের বাইরে ছিলাম সুতরাং কে পদত্যাগ করলো, কি করলো তা আমার জানা নেই, এখন হয়তো জানতে পারবো। তবে সংবিধান অনুযায়ী, রাষ্ট্রপতি যদি পদত্যাগ করেন তাহলে স্পিকারের কাছে পদত্যাগ করবেন এবং আগামী ৯০ দিনের মধ্যে জাতীয় সংসদ একজন নতুন রাষ্ট্রপতি নির্বাচন করবেন।’
সূত্র জানায়, গত ১৯ জুলাই চিকিৎসার জন্য ব্যাংকক সফরে যান স্পিকার। সফরসূচি অনুযায়ী, আগামী ২৬ জুলাই (রোববার) তার দেশে ফেরার কথা ছিল; কিন্তু সফরসূচি সংক্ষিপ্ত করে শুক্রবার দেশে ফেরেন তিনি।
সংসদ সচিবালয়ের এক কর্মকর্তা বলেন, সফর সূচি অনুযায়ী আগামী ২৬ জুলাই স্পিকারের দেশে ফেরার কথা ছিল। তবে তিনি শুক্রবারই দেশে ফিরেছেন।
বাংলাদেশের সংবিধানের ৫০(৩) অনুচ্ছেদ অনুযায়ী, স্পিকারের কাছে স্বাক্ষরযুক্ত পত্রযোগে পদত্যাগ করতে পারেন রাষ্ট্রপতি।
সংবিধানের ৫৪ অনুচ্ছেদ অনুযায়ী, রাষ্ট্রপতির পদ শূন্য হলে বা তিনি দায়িত্ব পালনে অক্ষম হলে নতুন রাষ্ট্রপতি নির্বাচিত না হওয়া পর্যন্ত জাতীয় সংসদের স্পিকার ভারপ্রাপ্ত বা অস্থায়ী রাষ্ট্রপতি হিসেবে দায়িত্ব পালন করবেন। সে ক্ষেত্রে রাষ্ট্রপতি সাহাবুদ্দিন পদত্যাগ করলে নতুন রাষ্ট্রপতি নির্বাচিত হওয়া পর্যন্ত এ দায়িত্ব পালন করবেন স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমদ।
স্পিকার সাময়িকভাবে রাষ্ট্রপতির দায়িত্ব পালন করলেও, সংবিধানের ১২৩ (১) অনুচ্ছেদ অনুযায়ী পদ শূন্য হওয়ার ৯০ দিনের মধ্যে জাতীয় সংসদের সদস্যদের ভোটে নতুন রাষ্ট্রপতি নির্বাচন করা বাধ্যতামূলক।
