আমার কাগজ প্রতিবেদক
চব্বিশের জুলাই আন্দোলনের সময় রাজধানীর রামপুরায় কার্নিশে ঝুলে থাকা এক তরুণকে গুলি করাসহ দুজনকে হত্যার ঘটনায় মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলার রায় ২৮ জুন ধার্য করেছে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল।
সোমবার (১৫ জুন) ট্রাইব্যুনাল-১ এ দ্বিতীয় দফায় যুক্তিতর্ক উপস্থাপন সম্পন্ন হওয়ার পর রায়ের এই দিন নির্ধারণ করা হয়।
ট্রাইব্যুনাল-১ এর চেয়ারম্যান বিচারপতি মো. গোলাম মর্তূজা মজুমদারের নেতৃত্বাধীন তিন সদস্যের বেঞ্চ এই আদেশ দেয়। বেঞ্চের অপর দুই সদস্য হলেন-বিচারপতি মো. শফিউল আলম মাহমুদ এবং জেলা ও দায়রা জজ মো. মোহিতুল হক এনাম চৌধুরী।
এদিন শুনানিতে প্রথম আসামি চঞ্চল চন্দ্র সরকারের পক্ষে যুক্তি তুলে ধরেন আইনজীবী সারওয়ার জাহান নিপ্পন। এ ঘটনার সঙ্গে তার মক্কেলের কোনো সম্পৃক্ততা নেই বলে তিনি দাবি করেন।
অন্যদিকে, প্রসিকিউশনের পক্ষে মামলার পাঁচ আসামিরই সর্বোচ্চ শাস্তি চেয়ে যুক্তি খণ্ডন করেন প্রধান কৌঁসুলি মো. আমিনুল ইসলাম।
দুপক্ষের যুক্তিতর্ক শেষে ট্রাইব্যুনাল রায়ের জন্য দিন নির্ধারণ করে।
এ মামলায় অভিযুক্ত মোট পাঁচ আসামির মধ্যে কেবল চঞ্চল চন্দ্র সরকার গ্রেপ্তার হয়ে আদালতে উপস্থিত ছিলেন। বাকি চার আসামি পলাতক।
তারা হলেন- ঢাকা মহানগর পুলিশের (ডিএমপি) সাবেক কমিশনার হাবিবুর রহমান, খিলগাঁও জোনের সাবেক এডিসি মো. রাশেদুল ইসলাম, রামপুরা থানার সাবেক ওসি মো. মশিউর রহমান ও রামপুরা থানার সাবেক এসআই তারিকুল ইসলাম ভূঁইয়া।
গত ৪ মার্চ এ মামলার রায় ঘোষণার জন্য দিন ধার্য করা হয়েছিল। তবে প্রসিকিউশনের পক্ষ থেকে নতুন করে ‘ডিজিটাল অ্যাভিডেন্স’ জমা দেওয়ার আবেদন করা হলে তা পিছিয়ে যায়।
এর ধারাবাহিকতায় মামলার প্রথম সাক্ষী হিসেবে জবানবন্দি দেওয়া আমির হোসেনকে ট্রাইব্যুনালে পুনরায় সাক্ষ্য দিতে হয়।
গত বছরের ৭ অগাস্ট প্রসিকিউশন এই মামলায় আসামিদের বিরুদ্ধে ট্রাইব্যুনালে আনুষ্ঠানিক অভিযোগ দাখিল করে। ১৮ সেপ্টেম্বর পাঁচ আসামির বিরুদ্ধে আনুষ্ঠানিক অভিযোগ গঠন করে বিচার শুরুর আদেশ দেয় ট্রাইব্যুনাল-১।
