স্পোর্টস ডেস্ক
নিউ জার্সির মেটলাইফ স্টেডিয়ামে রোববারের বিশ্বকাপ ফাইনালে স্পেনের মুখোমুখি হবে আর্জেন্টিনা। শিরোপা নির্ধারণের এই ম্যাচের পাশাপাশি আলোচনায় রয়েছে টুর্নামেন্টের সর্বোচ্চ গোলদাতার পুরস্কার ‘গোল্ডেন বুট’-এর লড়াইও।
তৃতীয় স্থান নির্ধারণী ম্যাচে ইংল্যান্ডের বিপক্ষে জোড়া গোল করে ফ্রান্সের কিলিয়ান এমবাপ্পে চলতি বিশ্বকাপে নিজের গোলসংখ্যা ১০-এ উন্নীত করেছেন। পাশাপাশি তার অ্যাসিস্ট আছে ৪টি। অন্যদিকে, ফাইনালের আগে লিওনেল মেসির গোল ৮টি এবং তারও অ্যাসিস্ট ৪টি। ফলে গোল্ডেন বুট জিততে হলে আর্জেন্টাইন অধিনায়ককে ফাইনালে অন্তত দুটি গোল করে এমবাপ্পের সমতায় ফিরতে হবে, অথবা তিন গোল করে সরাসরি শীর্ষে উঠতে হবে।
ফিফার গোল্ডেন বুটের নিয়ম অনুযায়ী, গোলসংখ্যা সমান হলে প্রথমে বিবেচনায় নেওয়া হয় অ্যাসিস্ট। অ্যাসিস্টও সমান হলে কম সময় খেলে বেশি গোল করা খেলোয়াড়কে এগিয়ে রাখা হয়।
এই সমীকরণে মেসির সামনে সবচেয়ে বাস্তবসম্মত সুযোগ হলো ফাইনালে দুটি গোল করা। সেক্ষেত্রে তার গোলসংখ্যা হবে ১০, যা এমবাপ্পের সমান। এরপর ফল নির্ভর করবে দুই খেলোয়াড়ের মোট অ্যাসিস্টের ওপর।
তবে যদি মেসি তিন গোল করেন, তাহলে তার মোট গোল হবে ১১। সে ক্ষেত্রে কোনো সূত্র মিলানোর প্রয়োজন হবে না এবং তিনি সরাসরি গোল্ডেন বুট জিতে নেবেন।
অন্যদিকে, মেসি যদি মাত্র একটি গোল করেন, তাহলে তার গোল হবে ৯, যা এমবাপ্পের ১০ গোলের চেয়ে কম। সে ক্ষেত্রে গোল্ডেন বুট যাবে ফরাসি তারকার হাতেই। আর গোল করতে না পারলে এমবাপ্পের শীর্ষস্থান অক্ষুণ্ন থাকবে।
গোল্ডেন বুটের এই লড়াই ২০২২ বিশ্বকাপের স্মৃতিও ফিরিয়ে আনছে। সেবার কাতার বিশ্বকাপের ফাইনালে হ্যাটট্রিক করে এমবাপ্পে ৮ গোল নিয়ে সর্বোচ্চ গোলদাতার পুরস্কার জিতেছিলেন। অন্যদিকে, মেসি ৭ গোল করেও বিশ্বকাপ শিরোপা জিতেছিলেন, কিন্তু গোল্ডেন বুট অধরাই থেকে যায়।
এবারের ফাইনাল হতে পারে মেসির বিশ্বকাপ ক্যারিয়ারের শেষ ম্যাচ। তাই শিরোপার পাশাপাশি প্রথমবারের মতো গোল্ডেন বুট জয়ের সুযোগও রয়েছে তার সামনে।
