ফেমী প্রতিনিধি
বৃহস্পতিবার দুপুরে ফেনী পৌরসভা মিলনায়তনে আয়োজিত এক অনুষ্ঠানে অ্যাপটির আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করা হয়।
ফেনী পৌরসভার নাগরিকদের সমস্যা সমাধান ও বিভিন্ন সেবা এক ক্লিকে হাতের মুঠোয় পৌঁছে দিতে চালু হয়েছে নতুন মোবাইল অ্যাপ্লিকেশন ‘মাই ফেনী’।
ফেনী পৌরসভার প্রশাসক ও স্থানীয় সরকার বিভাগ ফেনীর উপ-পরিচালক মো: দিদারুল আলমের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ মাহবুবউল করিম।
এছাড়া অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি ছিলেন পুলিশ সুপার প্রত্যুষ কুমার মজুমদার, সদর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) সুলতানা নাসরিন কান্তা, ফেনী জেলা আইসিটি অফিসার সাইফ মো: জুলকার নাঈন চৌধুরী এবং ফেনী সদর উপজেলা আইসিটি অফিসার মো: রাশেদুল আলম।
অনুষ্ঠানে কারিগরি সহায়তায় সার্বিক সহযোগিতা করেন ইনোভেশন আইটির সিইও খুরশিদ আলম।
প্রধান অতিথির বক্তব্যে জেলা প্রশাসক বলেন, পৌরবাসীকে ভোগান্তিমুক্ত ও দ্রুততম সময়ে সেবা প্রদান করাই বর্তমান প্রশাসনের মূল লক্ষ্য। ‘মাই ফেনী’ অ্যাপের মাধ্যমে নাগরিকদের সমস্যা ও সেবা ডিজিটালাইজড করার উদ্যোগটি অত্যন্ত সময়োপযোগী। নাগরিকরা যেন শুধু অভিযোগ জানিয়ে ক্ষান্ত না হন, বরং সেগুলোর দ্রুত ও গুণগত সমাধান পান—তা কঠোরভাবে নিশ্চিত করতে হবে।
তিনি আরো বলেন, প্রযুক্তি কাজকে সহজ করেছে। তবে এর সুফল পেতে হলে সেবাদাতাদের সদিচ্ছা ও দায়িত্বশীলতা জরুরি। এই অ্যাপ ব্যবহারের মাধ্যমে সময় ও অর্থ সাশ্রয়ের পাশাপাশি পৌরসেবায় স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতা নিশ্চিত হবে। একটি আধুনিক, দুর্নীতিমুক্ত ও স্মার্ট ফেনী গঠনে এই ডিজিটাল প্ল্যাটফর্ম বিশেষ ভূমিকা রাখবে।
জেলা প্রশাসক বলেন, ‘মাই ফেনী’ অ্যাপটি পৌরসভার ডিজিটাল সেবা প্রসারে একটি বড় পদক্ষেপ। এর মাধ্যমে পৌরবাসীরা এক ক্লিকেই তাদের নাগরিক সমস্যার কথা জানাতে পারবেন এবং দ্রুত সেবা পাবেন। অ্যাপটি নিয়মিত পরিচালনা করা না গেলে এটি তৈরির সার্থকতা আসবে না।
অনুষ্ঠানে ফেনী পৌরসভার নির্বাহী প্রকৌশলী ইঞ্জিনিয়ার মোহাম্মদ জাকির উদ্দিন, পৌর নির্বাহী কর্মকর্তা মো: সামছুদ্দিন, মেডিক্যাল অফিসার ডা. কৃষ্ণ পদ সাহা, প্রশাসনিক কর্মকর্তা এস.এম. শরফত উল্যাহ চৌধুরীসহ পৌরসভার কর্মকর্তা-কর্মচারী, স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তি, সুশীল সমাজের প্রতিনিধি ও সাংবাদিকরা উপস্থিত ছিলেন।
অনুষ্ঠানে অ্যাপটির ব্যবহারবিধি ও বিভিন্ন ফিচার প্রদর্শন করা হয়। অ্যাপটির মাধ্যমে ড্রেনেজ ব্যবস্থা, ময়লা নিষ্কাশন, সড়কবাতি মেরামতসহ পৌরসভার বিভিন্ন নাগরিক সুবিধার জন্য সরাসরি আবেদন ও তদারকি করা যাবে।
এ অনুষ্ঠানে ৩৬ বছর চাকরি শেষে বিদায় নেয়া এক পরিচ্ছন্নতাকর্মীকে সম্মাননা এবং কৃতি শিক্ষার্থীদের হাতে ক্রেস্ট ও সম্মাননা তুলে দেন অতিথিরা।
