হাসিনাবিরোধী আন্দোলনে অংশ নিয়ে হন ৫৪টি মামলার আসামি
আমার কাগজ প্রতিবেদক
ফ্যাসিবাদী শাসনামলে শত অত্যাচার ও বাধা-বিপত্তি উপেক্ষা করে দীর্ঘ ১৭ বছর আন্দোলন-সংগ্রামে রাজপথে সক্রিয় ভ‚মিকা পালন করেন জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্রদলের সাবেক সাধারণ সম্পাদক ও যুবদল ঢাকা মহানগর দক্ষিণের সাবেক যুগ্ম আহ্বায়ক ওমর ফারুক মুন্না।
তিনি জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্রদলের সাধারণ সম্পাদক পদে থাকাকালীন আন্দোলন-সংগ্রামের উত্তাল সময়ে ২০১২-২০১৬ সালে অগ্রণী ভূমিকায় দায়িত্ব পালন করেন। এর মধ্যে ২০১৪ সালের ৫ জানুয়ারি বিনা ভোটের নির্বাচন প্রতিহত করতে গিয়ে গুরুত্বপূর্ণ ভ‚মিকা পালন করেন। এছাড়া ২০১৫ সালে অসহযোগ আন্দোলনে পুরো সময়ে রাজধানীর পুরান ঢাকা জুড়ে তৎকালীন সরকারকে নাস্তানাবুদ করে ছাড়েন আলোচিত এই ছাত্রনেতা।
ফ্যাসিবাদী আমলে ধারাবাহিকভাবে সরকারবিরোধী সকল আন্দোলন সংগ্রামী দীর্ঘ সময় সক্রিয় ছিলেন ওমর ফারুক মুন্না। হাসিনাবিরোধী সকল আন্দোলনে অংশ নিতে গিয়ে প্রায় ৫৪টি মামলার আসামি হন। তিনি ছিলেন আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর মোস্ট ওয়ান্টেড তালিকায়। সেসময় ভাগ্যক্রমে প্রাণে রক্ষা পান কর্মীবান্ধব এই নেতা।
ওমর ফারুক মুন্না শুধু নিজে আন্দোলন-সংগ্রামে নেতৃত্ব দিয়ে বসে থাকেননি, বরং অসংখ্য নেতা কর্মীকে রাজপথে আন্দোলন সংগ্রামে অংশগ্রহণ করিতে উজ্জীবিত করেছেন। জেল-জুলুমের শিকার অন্যান্য নেতাকর্মী ও তাদের পরিবার পরিজনের দেখা-শুনা করেছেন নিবিড়ভাবে। অনেক নেতাকর্মীকে জেল থেকে ছাড়াতে নিজ খরচে জামিনের ব্যবস্থা করেছেন রাজপথের পরীক্ষিত ছাত্র ও যুব নেতা। তাই নেতাকর্মীরাও তাকে ভালোবাসেন, শ্রদ্ধা করেন।
ছাত্ররাজনীতি থেকে উঠে আসা যুবনেতা ওমর ফারুক মুন্না পল্টন থানা যুবদলের নেতা সাজ্জাদ, মতিঝিল থানা যুবদলের যুগ্ম আহবায়ক হীরা, মুগদা থানার ওয়ার্ড সাধারণ সম্পাদক মাসুদ রানা, ডেমরা থানা ছাত্রদলের আহ্বায়ক মাসুদ রানাসহ অসংখ্য নেতাকর্মীকে জেলখানা থেকে মুক্ত করতে সার্বিক সহযোগিতা করেন। কর্মীদের সঙ্গে ঘনিষ্ঠ যোগাযোগ এবং মাঠমুখী নেতৃত্বের কারণে ঢাকা মহানগরের প্রত্যেকটি থানা ওয়ার্ডে জনপ্রিয়তার শীর্ষে রয়েছেন যুবনেতা ওমর ফারুক মুন্না।
তাই তৃণমূল সংগঠনের সঙ্গে সম্পৃক্ততা ও দীর্ঘ রাজনৈতিক অভিজ্ঞতার কারণে বিএনপির হাইকমান্ডের কাছে দক্ষিণ যুবদলের থানা ও ওয়ার্ডের নেতাদের প্রাণের দাবি ‘ক্লিন ইমেজের’ নেতা হিসেবে পরিচিত ওমর ফারুক মুন্নাকে যেন ঢাকা মহানগর দক্ষিণ যুবদলের সভাপতি পদে নির্বাচিত করা হয়।
এ ব্যাপারে জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্রদলের সাবেক সহ সভাপতি ও সূত্রাপুর থানা বিএনপির সাবেক সাংগঠনিক সম্পাদক মনিরুজ্জামান খান, পল্টন থানা যুবদলের নেতা সাজ্জাদ, মতিঝিল থানা যুবদলের যুগ্ম আহবায়ক হীরাসহ রাজপথের পরীক্ষিত ত্যাগী নেতারা বলেন, কর্মীবান্ধব ওমর ফারুক মুন্না ভাইকে যথাযথ মূল্যায়ন করা উচিত।
ত্যাগী নেতারা আরও মনে করেন, দীর্ঘ আন্দোলন সংগ্রামে যারা ক্ষতিগ্রস্ত এবং মূল্যায়ন করা হয়নি এমন পরীক্ষিত নেতাদের মূল্যায়ন করা হলে দল সুসংগঠিত হবে এবং ভালো নেতৃত্ব বেরিয়ে আসবে।
