• শুক্রবার, ০২ ডিসেম্বর ২০২২, ০৫:১০ পূর্বাহ্ন
/ অর্থনীতি
রাষ্ট্রায়ত্ত ব্যাংকগুলোতে লাগামহীনভাবে বাড়ছে খেলাপি ঋণ। প্রভিশন ও মূলধন ঘাটতিতে রয়েছে অনেক ব্যাংক। পাশাপাশি বেড়েছে তারল্য সংকটও। এতে করে বেশিরভাগ ব্যাংক ঝুঁকির মধ্যে রয়েছে। পর্ষদের অনিয়ম দুর্নীতি, স্বেচ্ছাচারিতা আর আমলাতান্ত্রিক আরো পড়ুন
যথাসময়ে আমদানি বিলের দায় পরিশোধের নির্দেশ দিয়েছে কেন্দ্রীয় ব্যাংক। না করলে এডি (বৈদেশিক মুদ্রা লেনদেনকারী শাখা) লাইসেন্স বাতিল করা হবে। একই সঙ্গে ব্যাংকের বৈদেশিক লেনদেনে অনিয়মে জড়িত কর্মকর্তাদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা
বাংলাদেশ থেকে পাচার হওয়া অর্থ ফেরাতে ১০টি দেশের সঙ্গে চুক্তি করতে চেয়েছে মানিলন্ডারিং ও সন্ত্রাসী অর্থায়ন ঠেকাতে গঠিত সরকারের আর্থিক গোয়েন্দা সংস্থা বাংলাদেশ ফাইন্যান্সিয়াল ইনটেলিজেন্স ইউনিট (বিএফআইইউ)। মঙ্গলবার হলফনামার মাধ্যমে
নিজেদের ক্ষমতা খর্ব করে ঋণখেলাপিদের বিশেষ ছাড় দিয়ে গত ১৮ জুলাই বাংলাদেশ ব্যাংকের জারি করা পরিপত্রের চারটি (৪, ৫, ৬, ৯) ধারা কেন বাতিল ঘোষণা করা হবে না, তা জানতে
চলতি মাসের (অক্টোবর) প্রথম ১৩ দিনে রেমিট্যান্স হিসেবে ৭৭ কোটি মার্কিন ডলার (বাংলাদেশি মুদ্রায় প্রায় ৮ হাজার ১৬২ কোটি টাকা) দেশে পাঠিয়েছেন প্রবাসীরা। সোমবার (১৭ অক্টোবর) কেন্দ্রীয় ব্যাংকের হালনাগাদ পরিসংখ্যানে
কৃষি খাতে ব্যবহারের জন্য এক লাখ মেট্রিক টন বিভিন্ন ধরনের সার আমদানিসহ ৪ ক্রয় প্রস্তাবের অনুমোদন দিয়েছে সরকারি ক্রয় সংক্রান্ত মন্ত্রিসভা কমিটি। এতে মোট ব্যয় হবে ৮২৪ কোটি ৪৯ লাখ
ডলার সংকট ও রিজার্ভের চাপের মধ্যে বৈদেশিক মুদ্রার আয়ের প্রধান দুটি খাতেই দুঃসংবাদ এসেছে। দুই খাতই আগের প্রবৃদ্ধির ধারাবাহিকতা ধরে রাখতে পারেনি। সেপ্টেম্বরে রপ্তানি আয় কমেছে ৬ দশমিক ২৫ শতাংশ।
বৈধ চ্যানেলে প্রবাসীদের পাঠানো রেমিট্যান্স কমে গেছে। ২০২২-২৩ অর্থবছরের তৃতীয় মাস সেপ্টেম্বরে ১৫৪ কোটি ডলার পাঠিয়েছেন প্রবাসী বাংলাদেশীরা। এই অঙ্ক গত ৭ মাসের মধ্যে সর্বনিম্ন। রোববার (২ অক্টোবর) কেন্দ্রীয় ব্যাংকের