আন্তর্জাতিক ডেস্ক
‘গ্লোবাল শেয়ার্ড ডেভেলপমেন্ট অ্যাকশন ফোরাম’-এর তৃতীয় উচ্চ স্তরের সম্মেলন গতকাল বুধবার বেইজিংয়ে সমাপ্ত হয়েছে। ১৪০টিরও বেশি দেশ আন্তর্জাতিক ও আঞ্চলিক সংস্থার ৬০০ জনেরও বেশি প্রতিনিধি অনলাইন ও অফলাইনের মাধ্যমে সম্মেলনে অংশগ্রহণ করেন। চীনের আন্তর্জাতিক উন্নয়ন সহযোগিতা সংস্থার প্রধান ছেন তুং শিয়াও সমাপনী অনুষ্ঠানে যোগ দেন এবং ভাষণ দেন।
ছেন তুং শিয়াও বলেন, ফোরামের প্রথম সম্মেলন আয়োজনের পর থেকে চীন সংশ্লিষ্ট উন্নয়নশীল অংশীদারদের সাথে সম্মেলনে অর্জিত ঐকমত্য বাস্তবয়ন করতে চেষ্টা চালিয়ে আসছে। এ পর্যন্ত ১৮০টিরও বেশি প্রকল্পের মধ্যে ৯০% বাস্তবায়িত হয়েছে। বাকিগুলো সময় মত পর্যায়ক্রমে সামনে এগিয়ে যাচ্ছে। বাস্তব সহযোগিতা আরো গভীরে উন্নয়ন হচ্ছে, ৫০টিরও বেশি দ্বিপাক্ষিক চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়েছে এবং বৈশ্বিক উন্নয়ন সহযোগিতা ব্যবস্থা আরো সম্পূর্ণ হয়ে উঠেছে।
তিনি আরো বলেন, চীনের বৈশ্বিক উন্নয়ন উদ্যোগ উত্থাপনের পঞ্চম বার্ষিকী উপলক্ষ্যে আয়োজিত তৃতীয় উচ্চ-পর্যায়ের সম্মেলনটি আগের ও পরের সম্মেলনে অর্জিত ঐকমত্যগুলোকে সংযুক্ত করে অর্থবাহী একটি সম্মেলন হয়েছে। জাতিসংঘের ২০৩০ টেকসই উন্নয়নে এজেন্ডা বাস্তবায়নের শেষ পর্যায়ে এসেছে। সম্মেলনে অংশগ্রহণকারী বিভিন্ন দেশ ‘গ্লোবাল সাউথ আধুনিকায়নে ডিজিটল ক্ষমতায়ন’, ‘উন্নয়নশীল দেশগুলোর জলবায়ু সহনশীলতা উন্নীত করা’ এবং ‘টেকসই উন্নয়নের অর্থসংগ্রহ’ ইত্যাদি বিষয় নিয়ে আলোচনা করেছে। সব পক্ষ একমত হয়েছে যে, ডিজিটাল প্রযুক্তির মাধ্যমে গ্লোবাল সাউথের উন্নয়ন বেগবান করা উচিত, শিল্পের সবুজ ও নিম্ন কার্বন রুপান্তরে বিভিন্ন দেশের সাধারণ ও অভিন্ন দায়িত্ব পালন করা উচিত এবং একটি ন্যায়সঙ্গত, উন্মুক্ত, কার্যকর ও স্থিতিশীল অর্থসংগ্রহ ব্যবস্থা গঠন করা উচিত।
সম্মেলনে ‘অভিন্ন ভবিষ্যত সৃষ্টি কার্যক্রমের ফলাফল তালিকা’ প্রকাশিত হয়েছে। তালিকাটি ‘বৈশ্বিক উন্নয়ন উদ্যোগ’-এর ৮টি প্রধান ক্ষেত্রে ৫০টি বাস্তব ঐকমত্য কেন্দ্র করে, মঞ্চ স্থাপন, সম্পদ সমাবেশ, কর্মমুখী কার্যক্রম ত্বরান্বিত করার মাধ্যমে বৈশ্বিক উন্নয়ন ও সমৃদ্ধি বাস্তবায়নে সহায়তা করে।
সূত্র:স্বর্ণা-হাশিম-লিলি,চায়না মিডিয়া গ্রুপ।
