অ্যাওয়ার্ড গ্রহণ করেন সহ-প্রতিষ্ঠাতা ও ব্যবস্থাপনা পরিচালক শাহ্ জালাল আলিফ, সহ-প্রতিষ্ঠাতা ও প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা আরিফা শবনম, সহকারী ব্যবস্থাপক মাজির রাফিক মাহি, সিনিয়র এক্সেকিউটিভ রানা সালসাবিল সুবহা, প্ল্যানার মাইশা নীতি ও এক্সেকিউটিভ ওয়াহেদ শাহরিয়ার হিমেল
মারুন ইনকর্পোরেশন পেল তিনটি
আমার কাগজ প্রতিবেদক
সম্প্রতি দেশের ডিজিটাল মার্কেটিং অঙ্গনের সেরা ক্যাম্পেইনগুলোকে স্বীকৃতি জানিয়ে পাঁচ তারকা হোটেল ‘লা মেরিডিয়ান’ ঢাকায় অনুষ্ঠিত হয়ে গেল ৯ম ডিজিটাল মার্কেটিং অ্যাওয়ার্ডের গালা। এই আসরে ২৬টি আলাদা ক্যাটাগরিতে পুরস্কৃত হয় মোট ৮৯টি ক্যাম্পেইন।
বাংলাদেশ ব্র্যান্ড ফোরামের উদ্যোগে ও ওয়ালটন রেফ্রিজারেটরের সঞ্চালনায় আয়োজিত অনুষ্ঠানে অংশ নেন দেশের ডিজিটাল মার্কেটার, বিজ্ঞাপন ও ব্র্যান্ড পেশাজীবী, এজেন্সি নেতা, মিডিয়া স্ট্র্যাটেজিস্ট এবং প্রযুক্তি বিশেষজ্ঞরা।
১ নভেম্বর ২০২৪ থেকে ২৫ মার্চ ২০২৬ পর্যন্ত ডিজিটাল প্ল্যাটফর্মে চালু থাকা ক্যাম্পেইনগুলো মনোনয়নের জন্য বিবেচিত হয়।
এবার প্রতিযোগিতার উত্তাপ ছিল রেকর্ড পর্যায়ে- ৬৬টি প্রতিষ্ঠান থেকে জমা পড়ে ১ হাজার ৭২টি মনোনয়ন। সেরা ক্যাম্পেইন বাছাইয়ে অনুসরণ করা হয় সুনির্দিষ্টভাবে সাজানো দুই ধাপের জুরি মূল্যায়ন প্রক্রিয়া।
প্রথম ধাপে শর্টলিস্টিং পর্বে ৮টি জুরি প্যানেলে ১১৩ জন বিশিষ্ট জুরি ক্যাম্পেইনগুলো যাচাই-বাছাই করে সংক্ষিপ্ত তালিকা তৈরি করেন। এরপর শর্টলিস্ট হওয়া ক্যাম্পেইনগুলো ওঠে অত্যন্ত প্রতিযোগিতাপূর্ণ গ্র্যান্ড জুরি পর্বে, যেখানে ৮টি গ্র্যান্ড জুরি সেশনে ১১০ জন স্বনামধন্য ক্যাটাগরি বিশেষজ্ঞ চূড়ান্ত মূল্যায়ন করে বেছে নেন সেরাদের সেরা।
চূড়ান্ত বিজয়ীদের ৬৩টি ক্যাম্পেইন ব্রোঞ্জ, ২০টি ক্যাম্পেইন সিলভার ও ৬টি ক্যাম্পেইন গোল্ড অ্যাওয়ার্ড দেওয়া হয়েছে। উৎকর্ষের সর্বোচ্চ মান অটুট রাখার প্রতিশ্রুতি থেকে এবার কোনো গ্র্যান্ড প্রিক্স দেওয়া হয়নি। জাঁকালো এই গালায় উপস্থিত ছিলেন ৫০০-এরও বেশি ডিজিটাল মার্কেটিং ও ব্যবসায়িক পেশাজীবী।
এর মধ্যে মারুন ইনকর্পোরেশন দুটি ব্রোঞ্জ এবং যৌথভাবে সিলভার অ্যাওয়ার্ড লাভ করে।
উদ্বোধনী বক্তব্যে বাংলাদেশ ব্র্যান্ড ফোরামের প্রতিষ্ঠাতা ও ব্যবস্থাপনা পরিচালক শরিফুল ইসলাম বলেন, প্রতিবছর ডিজিটাল মার্কেটিং অ্যাওয়ার্ড আমাদের মনে করিয়ে দেয়- আমাদের খাত কতদূর এগিয়েছে, আর কতদূর এগোনো সম্ভব। মার্কেটিং এখন আর কেবল গল্প বলা নয়; এটি এখন রিয়েল-টাইম এনগেজমেন্ট, হাইপার-পারসোনালাইজেশন আর তথ্যনির্ভর সিদ্ধান্ত গ্রহণের বিষয়। আজ যাদের আমরা সম্মান জানাচ্ছি, সেই ক্যাম্পেইনগুলোই প্রমাণ করে- বাংলাদেশের মার্কেটাররা বিশ্বের সেরাদের সঙ্গে কাঁধ মিলিয়ে চলতে পারে। এই অ্যাওয়ার্ড শুধু উৎকর্ষের স্বীকৃতি নয়; এটি আমাদের সবার প্রতি এক চ্যালেঞ্জ-উদ্ভাবন চালিয়ে যাওয়ার, নতুন কিছু পরীক্ষা করার এবং বাংলাদেশে ডিজিটাল মার্কেটিংয়ের সম্ভাবনাকে নতুন করে গড়ার।
