• রবিবার, ২৯ মে ২০২২, ১১:২৬ পূর্বাহ্ন

মায়ের কবরে চিরনিদ্রায় শায়িত চলচ্চিত্র নির্মাতা আজিজুর রহমান

প্রতিবেদকের নাম / ৩৯ শেয়ার
প্রকাশিত : সোমবার, ২১ মার্চ, ২০২২

বগুড়া ব্যুরো:

বহুল আলোচিত চলচ্চিত্র ‘ছুটির ঘণ্টা’র পরিচালক ও বিশিষ্ট চলচ্চিত্র নির্মাতা আজিজুর রহমানের (৮২) দাফন সম্পন্ন হয়েছে। সোমবার বাদ জোহর বগুড়ার আদমদীঘির সান্তাহার পৌরসভার সাঁতাহার ঈদগাহ মাঠে তার জানাজা অনুষ্ঠিত হয়।

পরে পারিবারিক গোরস্থানে মা আবেজান বেগমের কবরে তাকে চিরনিদ্রায় শায়িত করা হয়। এর আগে বেলা ১১টায় হেলিকপ্টারে মরদেহ জন্মস্থান সাঁতাহার গ্রামে আনা হয়।

জানাজায় সাবেক প্রতিমন্ত্রী আলমগীর কবির, সান্তাহার পৌর মেয়র তোফাজ্জল হোসেন ভুট্টু, পৌর কাউন্সিলর আলাউদ্দিন, হুমায়ুন কবির বাদশা, আজিজুর রহমানের ছেলে টয় রহমান, অভিনেতা আলম খান প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন।

পরিবারের সদস্যরা জানান, আজিজুর রহমান ১৯৩৯ সালের ১০ অক্টোবর বগুড়ার আদমদীঘি উপজেলার সান্তাহার পৌরসভার সাঁতাহার গ্রামে জন্মগ্রহণ করেন। তার বাবার নাম রূপচান প্রামাণিক ও মা আবেজান বেগম। স্থানীয় আহসান উল্লাহ ইনস্টিটিউ থেকে এসএসসি ও ঢাকা সিটি কলেজ থেকে এইচএসসি পাশ করেন। পরে চারুকলা ইনস্টিটিউট থেকে কমার্শিয়াল আর্টে ডিপ্লোমা করেন।

সফল চলচ্চিত্র নির্মাতা ও পরিচালক আজিজুর রহমান ১৯৫৮ সালে ‘এ দেশ তোমার আমার’চলচ্চিত্রে এহতেশামের সহকারী হিসেবে ক্যারিয়ার শুরু করেন। তার নির্মিত প্রথম চলচ্চিত্র ময়মনসিংহের লোককথা নিয়ে ‘সাইফুল মূলক বদিউজ্জামান’মুক্তি পায় ১৯৬৭ সালে।

আজিজুর রহমান প্রায় এক যুগ ধরে কানাডায় দুই সন্তানের সঙ্গে বসবাস করছিলেন। তিনি দীর্ঘদিন ফুসফুসের সমস্যাসহ বার্ধক্যজনিত রোগে ভুগছিলেন। গত বছরের ফেব্রুয়ারিতে ফুসফুসে পানি চলে আসায় তাকে কানাডার একটি হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। সেখানে ১৪ মার্চ বাংলাদেশ সময় রাত ১১টার দিকে তিনি শেষ নি:শ্বাস ত্যাগ করেন।

মৃত্যুকালে তিনি স্ত্রী, এক ছেলে ও এক মেয়ে, নাতি-নাতনিসহ অসংখ্য আত্মীয়স্বজন ও গুণগ্রাহী রেখে গেছেন। মৃত্যুর আগে তিনি তার মরদেহ মায়ের কবরে দাফন করার ইচ্ছা প্রকাশ করেন।

পরিবারের সদস্যরা গত রোববার তার লাশ ঢাকায় নিয়ে আসেন। দীর্ঘদিনের কর্মস্থল এফডিসিসহ বিভিন্ন স্থানে তার তিনটি জানাজা অনুষ্ঠিত হয়।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এ সম্পর্কিত আরো সংবাদ