• সোমবার, ১৫ অগাস্ট ২০২২, ০৬:০৩ পূর্বাহ্ন

মরে গেলেও নির্বাচন চালিয়ে যাওয়ার ঘোষণা তৈমুরের

আমার কাগজ প্রতিবেদকঃ / ৬০ শেয়ার
প্রকাশিত : শনিবার, ১৫ জানুয়ারী, ২০২২

ভোটের আগমুহূর্তেও নেতা-কর্মীদের গ্রেপ্তার ও হয়রানির অভিযোগ করলেন নারায়ণগঞ্জ সিটি করপোরেশন নির্বাচনে স্বতন্ত্র মেয়র প্রার্থী ও বিএনপি চেয়ারপারসনের সাবেক উপদেষ্টা তৈমুর আলম খন্দকার। অবাধ, সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ ভোটের স্বার্থে গ্রেপ্তার ও হয়রানি বন্ধে তিনি প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন। একই সঙ্গে তিনি মরে গেলেও নির্বাচন চালিয়ে যাওয়ার ঘোষণা দেন।

আজ শনিবার দুপুর ১২টার দিকে শহরের মাসদাইরে নিজ বাসভবনে জরুরি সংবাদ সম্মেলনে তৈমুর আলম খন্দকার এসব কথা বলেন। সংবাদ সম্মেলনে তাঁর সঙ্গে ছিলেন মহানগর বিএনপির সাধারণ সম্পাদক এ টি এম কামালসহ দলের অঙ্গসংগঠনের নেতারা।

তৈমুর আলম খন্দকার বলেন, গতকাল শুক্রবার রাতে তাঁর দলের কর্মী-সমর্থকসহ ১০ জনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। এর আগে ১৭ জনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছিল। পুলিশ বিএনপির নেতা-কর্মীদের হেফাজতের মামলায় ও মাদক মামলায় গ্রেপ্তার করছে। এভাবে সুষ্ঠু ভোটের পরিবেশ নষ্ট হলে প্রধানমন্ত্রীর ভাবমূর্তি ক্ষুণ্ন হবে। নির্বাচন কমিশন, ডিসি-এসপিদের নিরপেক্ষ থেকে সুষ্ঠু ভোটের আহ্বান জানান তিনি।

তৈমুর আলম খন্দকার অভিযোগ করেন, পুলিশ তাঁর পক্ষের লোকজনের ওপর অত্যাচার-নির্যাতন করছে। এভাবে গ্রেপ্তার ও হয়রানি করা হলে কীভাবে সুষ্ঠু ভোট হবে, সে প্রশ্ন তোলেন তিনি। তিনি বলেন, ‘যত অত্যাচার-নির্যাতন করা হবে, ততই ভোটাররা একতাবদ্ধ হবে। নির্বাচনে আমরা বিজয়ী হব, অবশ্যই আমরা মাঠ ছাড়ব না। নির্বাচনের মাঠে যা-ই হোক না কেন, মাঠে থাকব। গ্রেপ্তার হলে হব। মরে গেলেও নির্বাচন চালিয়ে যাব।’

স্বতন্ত্র এই মেয়র প্রার্থী বলেন, ‘আমি ভোটকেন্দ্র ঝুঁকিপূর্ণ মনে করছি না। পুলিশের আচরণকে ঝুঁকিপূর্ণ মনে করছি। প্রশাসনের আচরণকে ঝুঁকিপূর্ণ ও নির্বাচন কমিশনের আচরণকে ঝুঁকিপূর্ণ বলে মনে করছি।’ তিনি ভোটকেন্দ্রে সিসি ক্যামেরা স্থাপন এবং নির্বাচন কমিশন ও ডিসি-এসপিদের নিরপেক্ষ থেকে সুষ্ঠুভাবে ভোট গ্রহণের দাবি জানান।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এ সম্পর্কিত আরো সংবাদ