• বুধবার, ৩০ নভেম্বর ২০২২, ০৯:১৬ পূর্বাহ্ন

ফরিদপুর জেলা ছাত্রলীগের কমিটিতে বিবাহিত-মাদক ব্যবসায়ী ও প্রবাসী

প্রতিবেদকের নাম / ১৫ শেয়ার
প্রকাশিত : সোমবার, ১৪ নভেম্বর, ২০২২

ফরিদপুর প্রতিনিধি

ফরিদপুর জেলা ছাত্রলীগের পূর্ণাঙ্গ কমিটিতে বিবাহিত-মাদক ব্যবসায়ী ও প্রবাসী এবং স্কুল পড়ুয়া ছাত্রদের জায়গা দেয়া হয়েছে বলে জেলা ছাত্রলীগের একটি অংশ দাবি করেছে।

সোমবার সকাল ১১টার দিকে ফরিদপুর প্রেসক্লাবে এক সংবাদ সম্মেলন করে জেলা ছাত্রলীগের অপর একটি অংশ এ দাবি তোলেন। সংবাদ সম্মেলনে লিখিত বক্তব্য পাঠ করেন, ফরিদপুর জেলা ছাত্রলীগের ৮নং সহ-সভাপতি অমিয় সরকার।

সংবাদ সম্মেলনে তিনি জানান, সদ্য গঠিত ফরিদপুর জেলা ছাত্রলীগের কমিটিতে বিবাহিত, মাদক ব্যবসায়ী, স্কুল ছাত্র ও প্রবাসীদের অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে। যা ছাত্রলীগের গঠনতন্ত্রের পরিপন্থী। এছাড়া বর্তমান সভাপতি তার স্বেচ্ছাচারিতার জন্য এবং ছাত্রলীগ পকেটে রাখার জন্য গত বছরের ১৯ নভেম্বর গঠিত ২৫ জন ছাত্রলীগের কমিটির দু’জন সহ-সভাপতি, দু’জন সাংগঠনিক সম্পাদককে অবৈধভাবে বাদ দেয়া হয়েছিলো । যা একেবারেই তিনি পারেন না।

সংবাদ সম্মেলনে ছাত্রলীগের একটি অংশ দাবি করেন, ফরিদপুর জেলা ছাত্রলীগের আংশিক কমিটি গত বছর ১৯ জানুয়ারি গঠিত হয়েছে। আর পূর্ণাঙ্গ কমিটির অনুমোদন দেয়া হয়েছে চলতি মাসের ৯ তারিখে। ৯ নভেম্বর ওই কমিটিতে বাংলাদেশ ছাত্রলীগের দেয়া গত কমিটির থেকে চারজনকে বাদ দেয়া হয়। এরা হচ্ছেন, জেলা ছাত্রলীগের ১নং সহ-সভাপতি সাদিকুর রহমান, ৮নং সহ-সভাপতি অমিয় সরকার, ২নং সাংগঠনিক সম্পাদক রাজিব শেখ, ৪নং সংগঠনিক সম্পাদক আশিকুজ্জামান আশিক।

তারা সংবাদ সম্মেলনে দাবি করেন, এদেরকে বাদ দিয়ে পূর্ণাঙ্গ কমিটি গঠন করা হয়েছে। পূর্ণাঙ্গ কমিটিতে তারা দেখতে পাচ্ছেন যে, উক্ত চারজনের নাম বাদ দিয়ে যে কমিটি প্রকাশ করেছে তা সম্পূর্ণ সংগঠন বহির্ভূত কাজ। তাছাড়া ওই কমিটিতে রয়েছে বিবাহিত সহ-সভাপতি, মাদক ব্যবসায়ী, সাবেক শহর আওয়ামী লীগের নেতা কাউন্সিলর পদপ্রার্থী, বিদেশগামী ও স্কুল ছাত্রদের নিয়ে কমিটি গঠন করা হয় বলে সংবাদ সম্মেলনে জানানো হয়।

তারা জেলা ছাত্রলীগ সভাপতির কার্যক্রমের প্রতিবাদ এবং বহিষ্কার দাবি করেন এবং বিতর্কিত কমিটি স্থগিত করার দাবি জানান। পরে ছাত্রলীগের বিতর্কিত ছাত্র নেতাদের কর্মকাণ্ড তুলে ধরা হয়।

সংবাদ সম্মেলনে উপস্থিত ছিলেন, ফরিদপুর সদর উপজেলা ছাত্রলীগের সাবেক সভাপতি আশিকুর রহমান বিপ্লব, জেলা ছাত্রলীগের সাংগঠনিক সম্পাদক রাজিব শেখ, জেলা ছাত্রলীগের সহ-সভাপতি সাদিকুর রহমান সবুজ, জেলা ছাত্রলীগের সাবেক ছাত্রবৃত্তি সম্পাদক রাকিবুল ইসলাম রাসেল প্রমূখ।

অভিযোগের ব্যাপারে বক্তব্য জানতে ফরিদপুর জেলা ছাত্রলীগের সভাপতি তামজিদুল রশিদ চৌধুরী রিয়ান ও সাধারণ সম্পাদক ফাহিম আহামেদের মুঠোফোনে একাধিকবার যোগাযোগ করা হলে তাদের বক্তব্য পাওয়া যায়নি।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এ সম্পর্কিত আরো সংবাদ