• শুক্রবার, ১৭ সেপ্টেম্বর ২০২১, ০৩:৪৯ পূর্বাহ্ন

গোবিন্দকে পেতে তার বাড়ির চাকরানি হয়েছিলেন এক ধনীর দুলালি

বিনোদন ডেস্ক / ৫৬ শেয়ার
প্রকাশিত : সোমবার, ২৬ জুলাই, ২০২১

প্রেমে পাগল কি আর সাধে বলে! প্রেমে পাগল হয়ে কোটিপতির একমাত্র ছেলে গোবিন্দ সব ছেড়ে প্রেমিকার বাড়ির চাকর হয়ে কাজে ঢুকেছিলেন। জুতা সেলাই থেকে চণ্ডীপাঠ- সব সামলেছেন একা হাতে। উদ্দেশ্য ছিল প্রেমিকা এবং তার পরিবারের বিশ্বাস অর্জন করা। করেও ছিলেন এবং পরে ধরাও পড়েছিলেন।

এতক্ষণ যে গল্পটি পড়লেন, তা টেলিভিশনে অনেকেই দেখেছেন। গোবিন্দ ও কারিশমা কাপুর অভিনীত জনপ্রিয় ছবি ‘হিরো নম্বর ওয়ান’। এই সিনেমায় গোবিন্দ অভিনয় করেছিলেন রাজেশ মালহোত্রা চরিত্রে। যিনি কিনা ধনকুবের ধনরাজ মালহোত্রা অর্থাৎ অভিনেতা কাদের খানের একমাত্র ছেলে।

কিন্তু জানেন কি, গোবিন্দর নিজের জীবনেও ঘটে গিয়েছিল হুবহু এ রকমই একটি ঘটনা! শুধু ভূমিকাগুলো বদলে গিয়েছিল। ছবিতে কারিশমার প্রেমে পাগল হয়েছিলেন গোবিন্দ। বাস্তবে তার প্রেমে পাগল হয়েছিলেন এক নারী। যিনি নিজেও ছিলেন কোটিপতির মেয়ে।

ছবিতে গোবিন্দ যেমন কারিশমা এবং তার পরিবারকে খুশি করতে চাকর সেজেছিলেন, তেমনই বাস্তবে তার নিজের বাড়িতেও পরিচারিকার কাজ নিয়ে প্রবেশ করেছিলেন ওই কোটিপতি নারী। তবে ওই নারীর নামধাম, পরিচয় কখনো সংবাদ মাধ্যমে জানাননি গোবিন্দ বা তার স্ত্রী সুনীতা।

তবে এক সাক্ষাৎকারে ঘটনাটি স্বীকার করে নিয়েছিলেন গোবিন্দ। তখন তিনি বলিউডে সুপারস্টার হয়ে গেছেন। অভিনয়, নাচ সব মিলিয়ে বিনোদনের যাবতীয় মশলা ছিল তার কাছে। গোবিন্দর অনুরাগীর সংখ্যাও ছিল অসংখ্য। তারই একজন ছিলেন ওই নারী। অনুরাগীদের ভিড়ে মিশে না গিয়ে গোবিন্দর জীবনে বিশেষ একজন হয়ে ওঠার স্বপ্ন দেখেছিলেন তিনি।

গোবিন্দকে বিয়ে করতে চেয়েছিলেন ওই নারী। যদিও ইন্ডাস্ট্রিতে সুপারস্টার হওয়ার অনেক আগেই গোবিন্দর বিয়ে হয়ে গিয়েছিল। ১৯৮৭ সালে স্ত্রী সুনীতা তার জীবনে এসেছিলেন। কিন্তু তখনও গোবিন্দর বিবাহিত হওয়ার খবর ইন্ডাস্ট্রির কেউই জানতেন না। ক্যারিয়ারের স্বার্থে গোবিন্দই এই খবর লুকিয়ে রেখেছিলেন। তা নিয়ে স্ত্রীরও কোনো আপত্তি ছিল না।

গোবিন্দর বিবাহিত হওয়ার খবর ওই নারীও জানতেন না। তিনি গোবিন্দর বাড়ির ঠিকানা জোগাড় করে চলে যান। নিজেকে পরিচারিকা হিসাবে পরিচয় দেন। গোবিন্দ এবং তার মায়ের কাছে নিজের অসহায়তার কথা বলে পরিচারিকার কাজ পান। বাসন মাজার কাজ পেয়েছিলেন তিনি। গোবিন্দর প্রেমে এই কাজ মুখ বুঁজে করছিলেন তিনি।

কিন্তু তার কাজকর্ম গোবিন্দর মায়ের একেবারেই পছন্দ হচ্ছিল না। আসলে তিনি ঠিকমতো বাসন মাজতেই পারছিলেন না। এ রকমই চলছিল। কিন্তু একদিন কোটিপতি বাবার সঙ্গে ওই নারীর কথোপকথন গোবিন্দর স্ত্রী সুনীতা শুনে ফেলেন। সন্দেহ হয় সুনীতার। গোবিন্দকে সব জানান তিনি।

তার পরই ওই নারীর সঙ্গে বিষয়টি নিয়ে কথা বলেন গোবিন্দ। আসল কারণ জানতে পারেন। ওই নারীর বাবার সঙ্গে যোগাযোগ করে তাকে বাড়িও পাঠিয়ে দেন।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এ সম্পর্কিত আরো সংবাদ

পুরাতন সব সংবাদ

শনি রবি সোম মঙ্গল বুধ বৃহ শুক্র
 
১০
১১১২১৩১৪১৫১৬১৭
১৮১৯২০২১২২২৩২৪
২৫২৬২৭২৮২৯৩০  
%d bloggers like this: