আমার কাগজ ডেস্ক
ইরানের সঙ্গে চলমান সামরিক সংঘাতে এখন পর্যন্ত যুক্তরাষ্ট্রের ব্যয় ৩৭ দশমিক ৫ বিলিয়ন ডলারে পৌঁছেছে বলে জানিয়েছেন মার্কিন প্রতিরক্ষামন্ত্রী পিট হেগসেথ। তিনি জানান, মে মাসে দেওয়া সর্বশেষ হিসাবের তুলনায় এ ব্যয় প্রায় ৮ বিলিয়ন ডলার বেড়েছে।
২১ জুলাই মঙ্গলবার মার্কিন সিনেটের অ্যাপ্রোপ্রিয়েশনস কমিটির শুনানিতে এ তথ্য তুলে ধরেন হেগসেথ।
শুনানিতে তিনি বলেন, যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে নতুন করে সংঘাত শুরুর পর সামরিক ব্যয় দ্রুত বেড়েছে। কংগ্রেস জরুরি ভিত্তিতে অতিরিক্ত অর্থায়নের অনুমোদন না দিলে সামরিক প্রশিক্ষণসহ বিভিন্ন কার্যক্রম সীমিত করতে হতে পারে।
হেগসেথ জানান, প্রতিরক্ষা বিভাগ অতিরিক্ত ৮৭ বিলিয়ন ডলার বরাদ্দ চেয়েছে। এর মধ্যে ৬৭ বিলিয়ন ডলার মধ্যপ্রাচ্যে চলমান সামরিক অভিযানের জন্য বরাদ্দের প্রস্তাব রয়েছে।
তিনি বলেন, ‘আমরা একটি অত্যন্ত বিপজ্জনক বিশ্বে বাস করছি। বর্তমান পরিস্থিতিতে দ্রুত ও কার্যকর পদক্ষেপ নেওয়া প্রয়োজন।’
প্রতিরক্ষামন্ত্রীর ভাষ্য, অতিরিক্ত অর্থায়ন না পেলে সেনাসদস্যদের বেতন পরিশোধ, সামরিক সরঞ্জাম ও গোলাবারুদ পুনরায় মজুত এবং গুরুত্বপূর্ণ অভিযান পরিচালনায় সক্ষমতা ব্যাহত হতে পারে।
এর আগে, হোয়াইট হাউস আগামী অর্থবছরের জন্য পেন্টাগনের বাজেটে ১ দশমিক ৫ ট্রিলিয়ন ডলার বরাদ্দের প্রস্তাব কংগ্রেসে পাঠায়। প্রস্তাবটি অনুমোদিত হলে যুক্তরাষ্ট্রের ইতিহাসে সামরিক ব্যয় নতুন উচ্চতায় পৌঁছাবে।
এদিকে, যুক্তরাষ্ট্র টানা ১১তম দিনের মতো ইরানে সামরিক হামলা চালিয়েছে বলে বিভিন্ন আন্তর্জাতিক গণমাধ্যম জানিয়েছে। এর জবাবে ইরানও মধ্যপ্রাচ্যে যুক্তরাষ্ট্র ও তার মিত্রদের লক্ষ্য করে পাল্টা হামলা অব্যাহত রেখেছে।
