• রবিবার, ২৩ জানুয়ারী ২০২২, ১২:০১ পূর্বাহ্ন

আল-জাজিরার প্রতিবেদন নিয়ে বিব্রত হয়েছি: সাবেক সেনাপ্রধান আজিজ

আমার কাগজ প্রতিবেদকঃ / ১৭ শেয়ার
প্রকাশিত : রবিবার, ২৬ ডিসেম্বর, ২০২১

জার্মানিভিত্তিক সংবাদমাধ্যম ডয়চে ভেলের ‘খালেদ মুহিউদ্দীন জানতে চায়’ অনুষ্ঠানে অতিথি হয়ে কথা বলেছেন সাবেক সেনাপ্রধান জেনারেল আজিজ আহমেদ। ডয়চে ভেলের বাংলা বিভাগের প্রধান খালেদ মুহিউদ্দীনের সঙ্গে এ আলোচনায় তাকে নিয়ে নানা অভিযোগ, আল-জাজিরার প্রতিবেদন, ভাইদের বিষয়সহ নানা প্রসঙ্গে কথা বলেন তিনি।

শুক্রবার রাতে ‘খালেদ মুহিউদ্দীন জানতে চায়’ অনুষ্ঠানে অতিথি ছিলেন সাবেক সেনাপ্রধান জেনারেল আজিজ আহমেদ।

চলতি বছরের পয়লা ফেব্রুয়ারিতে আজিজ আহমেদ ও তার ভাইদের নিয়ে একটি ‘অনুসন্ধানী প্রতিবেদন’ প্রকাশ করে কাতারভিত্তিক সংবাদমাধ্যম আল-জাজিরা। এ নিয়ে তখন বেশ আলোচনা হয় দেশে। এ তথ্যচিত্র প্রকাশের পর শুরুতে বিব্রত হয়েছিলেন বলে উল্লেখ করেন আজিজ আহমেদ। সেই সময়ে তিনি যুক্তরাষ্ট্র সফরে ছিলেন। সেখানে এর কোনো প্রভাব পড়েনি বলে দাবি করেন তিনি।

তথ্যচিত্রে অভিযোগ করা হয়েছিল, ইসরায়েল থেকে স্পাইওয়্যার ও সেনাবাহিনীর বিভিন্ন ক্রয় প্রক্রিয়ায় জেনারেল আজিজ আহমেদ প্রভাব খাটিয়েছেন। এর উত্তরে তিনি দাবি করেন, কেনাকাটাগুলো যখন হয়, তখন সেনাপ্রধান হিসেবে এর সঙ্গে তার কোনো সম্পৃক্ততা ছিল না। যদিও তিনি দায়িত্ব নেওয়ার একদিন পর নজরদারি প্রযুক্তি ক্রয়ের স্বাক্ষর হয়।

তিনি দাবি করেন, প্রক্রিয়াগুলো আগেই সম্পন্ন হয়েছিল। তিনি বলেন, আমি চ্যালেঞ্জ করছি, কেউ যদি কোনো একটা ‘অ্যাভিডেন্স’ দিতে পারেন যে আমি বিজিবিতে থাকাকালে, আমি সেনাপ্রধান থাকাকালে আমার কোনো ভাই বা আত্মীয়কে বিজিবি বা সেনাবাহিনীর কোনো ‘আর্মস, ইকুয়েপমেন্ট, অ্যামুনেশান প্রকিউরমেন্ট, কন্ট্রাক্ট’ দিয়েছি, এটা যদি কেউ প্রমাণ করতে পারে, ‘আই উইল অ্যাকসেপ্ট অ্যানিথিং। আই অ্যাম রেডি। আই অ্যাম গিভিং আ চ্যালেঞ্জ।

সংবাদমাধ্যমে প্রকাশিত খবর অনুযায়ী, জেনারেল আজিজ আহমেদের দুই ভাই হারিছ আহমেদ ও তোফায়েল আহমেদ নতুন নাম আর ভিন্ন ঠিকানা ব্যবহার করে জাতীয় পরিচয়পত্র ও পাসপোর্ট সংগ্রহ করেছেন। এ বিষয়ে প্রশ্নের উত্তরে সাবেক সেনাপ্রধান বলেন, ‘কত লাখ লাখ বাংলাদেশি বিদেশে আছেন, তাদের কি নিজস্ব নাম, পিতৃপরিচয় বা ঠিকানা অ্যাকচুয়েলটা ইউজ করছেন?

নাম-পরিচয় পরিবর্তনে প্রভাব খাটিয়েছিলেন কি না, এমন প্রশ্নের জবাবে সাবেক এ সেনাপ্রধান বলেন, একটা উদাহরণ দেন কোনো জায়গায় আমি কাউকে টেলিফোন করেছি কি না, যে আপনি একে নির্দেশ দিয়েছেন যে এটা করে দাও। এ রকম কোনো অ্যাভিডেন্স কি আপনাদের কাছে আছে? প্রমাণ দেন।

আবেদনপত্রের কোনো পর্যায়ে তার অধীন কোনো বিজিবি অফিসার যুক্ত ছিলেন কি না, এমন প্রশ্নের উত্তরে সাবেক এ সেনাপ্রধান বলেন, এ ধরনের কোনো কিছু হয়েছে কি না, আমার জানা নেই। আর এ ধরনের স্বাক্ষর করার প্রসঙ্গ এসেছিল কি না, আমার ঠিক মনে পড়ছে না।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এ সম্পর্কিত আরো সংবাদ